মাদরাসার সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ

Moedu 200
65 / 100

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে মাদরাসার সংশোধিত এমপিও নীতিমালা ২৪/১১/২০২০ ইং তারিখে প্রকাশ করা হয়।

বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত )

শিক্ষাবিডির পাঠকদের জন্য মাদরাসার সংশোধিত এমপিও নীতিমালাটি তুলে ধরা হল। 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামাে ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশােধিত)

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামাে ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত সংশােধিত)

১। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মাদ্রাসা) কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিও সুষ্ঠুভাবে বন্টন, উপযুক্ত জনবল কাঠামাে প্রণয়ন ও এতদসংক্রান্ত পদ্ধতি যুগােপযােগীকরণের জন্য জনবল কাঠামাে সম্পর্কিত নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত সংশােধিত) প্রণয়ন করা হলাে:

কারিগরি সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ দেখুন

  • ২। শিরােনাম: এ নীতিমালা “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) এর জনবল কাঠামাে ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ (২৩ নভেম্বর,২০২০ পর্যন্ত সংশােধিত)” নামে অভিহিত হবে।
  • ৩। নীতিমালার প্রয়ােগ: এই নীতিমালা দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত নিমােক্ত বেসরকারি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের জন্য প্রযােজ্য হবে:
  • ৩.১ সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা, দাখিল মাদ্রাসা, আলিম মাদ্রাসা, ফাযিল মাদ্রাসা এবং কামিল মাদ্রাসা।
  • ৪। সংজ্ঞা:
  • ৪.১ এমপিও প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ: এ নীতিমালার অধীনে এমপিও প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বলতে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে বুঝাবে।
  • ৪.২ প্রতিষ্ঠান (Institute): প্রতিষ্ঠান বলতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পাঠদানের অনুমতি/স্বীকৃতি/অধিভুক্তি প্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বুঝাবে।
  • ৪.৩ উদ্বৃত্তপদ: এ নীতিমালার আওতায় জনবল কাঠামাে বহির্ভূত পদকে বুঝাবে।
  • ৪.৪ জনবল কাঠামাে: জনবল কাঠামাে বলতে অনুচ্ছেদ ৬ (ক) (খ) (গ) (ঘ) এ নির্ধারিত জনবলের পদবী ও পদসংখ্যাকে বুঝাবে।
  • ৪.৫ এনটিআরসিএ: এনটিআরসিএ বলতে ২০০৫ সালের ১ নং আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে বুঝাবে।।
  • ৪.৬ পরিশিষ্ট: নীতিমালার শেষাংশে পরিশিষ্ট হিসেবে সন্নিবেশিত তথ্যকে বুঝাবে, যা নীতিমালার অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • ৪.৭ এমপিও: এমপিও বলতে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষককর্মচারীদের (সরকারের অনুদান হিসেবে) প্রতি মাসে প্রদত্ত বেতন ভাতার অংশকে বুঝাবে যা ট্রেজারি রুলের অধীন সাবসিডিয়ারি রুল ৬১ এবং ২৫৬ এর বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
  • ৪.৮ সরকার: সরকার বলতে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ-কে বুঝাবে।
  • ৪.৯ (ক) পরিচালনা কমিটি: পরিচালনা কমিটি বলতে প্রযােজ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি। ম্যানেজিং কমিটি/এডহক কমিটি/গভর্নিং বডিকে বুঝাবে। (খ) নির্বাহী কমিটি: নির্বাহী কমিটি বলতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড, ঢাকা (গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা-২০০৯ এর প্রবিধান ৪৮ এর বিধান অনুযায়ী গঠিত কমিটিকে বুঝাবে।
  • ৪.১০ মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ: এ নীতিমালার আওতায় এমপিও ‘মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ বলতে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে বুঝাবে।।
  • ৪.১১ প্রতিষ্ঠান প্রধান: দাখিল মাদ্রাসার ক্ষেত্রে সুপারিনটেনডেন্ট; আলিম, ফাযিল এবং কামিল মাদ্রাসার ক্ষেত্রে অধ্যক্ষকে বুঝাবে।
  • ৪.১২ আপীল আরবিট্রেশন বাের্ড: দাখিল ও আলিম মাদ্রাসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডের আপীল আরবিট্রেশন বাের্ড এবং ফাযিল ও কামিল মাদ্রাসার ক্ষেত্রে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের আপীল আরবিট্রেশন বাের্ডকে বুঝাবে।
  • ৪.১৩ সিটি কর্পোরেশন: স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক ঘােষিত এলাকাকে বুঝাবে।
  • ৪.১৪ পৌর এলাকা: স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক ঘােষিত এলাকাকে বুঝাবে।
  • ৪.১৫ মফস্বল: স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক ঘােষিত সিটি কর্পোরেশন ও পৌর এলাকা ব্যতীত অন্যান্য এলাকাকে বুঝাবে।।
  • ৪.১৬ ইনক্রিমেন্ট: এ নীতিমালায় ইনক্রিমেন্ট বলতে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত বার্ষিক এমপিও বৃদ্ধির হারকে বুঝাবে।।
  • ৪.১৭ স্বীকৃতি: স্বীকৃতি বলতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড কর্তৃক কোন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে পাঠদানের অনুমতি প্রদানকে বুঝাবে।
  • ৪.১৮ অধিভুক্তি: অধিভুক্তি বলতে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কোন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে পাঠদানের অনুমতি প্রদানকে বুঝাবে।
  • ৪.১৯ জিএফআর: জিএফআর বলতে জেনারেল ফিন্যান্সিয়াল রুলসকে বুঝাবে।

৫। এমপিও প্রাপ্তির আবশ্যকীয় শর্তাবলি:

৫.১ স্বীকৃতি/অধিভুক্তি: প্রতিষ্ঠানকে (মাদ্রাসা) অবশ্যই বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কতৃক স্বীকৃতি/অধিভুক্তি প্রাপ্ত হতে হবে। একই সাথে এমপিও এর আবেদন যাচাইকালে হালনাগাদ স্বীকৃতি/অধিভুক্তির শর্তাবলি পূরণকৃত থাকতে হবে।

৫.২ প্রাপ্যতা: পরিশিষ্ট ‘ক’ অনুযায়ী ভৌগােলিক দূরত্ব ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রাপ্যতার শর্তপূরণ করতে হবে।

৫.৩ কাম্য শিক্ষার্থী: পরিশিষ্ট ‘খ’ অনুযায়ী প্রয়ােজনীয় সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকতে হবে।

৫.৪ কাম্য ফলাফল: পরিশিষ্ট ‘গ’ মােতাবেক কাম্য ফলাফল অর্জন করতে হবে।

৫.৫ জনবল কাঠামাে: সরকার অনুমােদিত জনবল কাঠামাে অনুযায়ী (পরিশিষ্ট-ঘ) শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ােজিত থাকতে হবে।

৫.৬ বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড অথবা ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমােদিত ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি থাকতে হবে।

৫.৭ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রযােজ্য ক্ষেত্রে এনটিআরসিএ এর সুপারিশ অনুসারে শিক্ষক নিয়ােগ করবে। শর্ত থাকে যে, আলােচ্য নীতিমালা কার্যকর হওয়ার পর কোন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে কাম্য যােগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক কর্মচারী নিয়ােগ নিশ্চিত হওয়ার পর স্বীকৃতি/অধিভুক্তি সংক্রান্ত প্রত্যয়ন প্রদান করতে হবে।

৫.৮ কোন প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) স্বীকৃতি ও অধিভুক্তির জন্য প্রয়ােজনীয় শর্ত পূরণ ঐ প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করবে না; সরকার আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করবে।

৬। নিয়ােগ, যােগ্যতা এবং জনবল কাঠামাে:

৬.১ বেসরকারি মাদ্রাসা সমূহের শিক্ষক ও কর্মচারীর জনবল কাঠামাে নিম্নরুপ:

ক. দাখিল মাদ্রাসা (১ম-১০ম):

LvrIuaQLdieBMvxtJvh pCqNxO8XKvdkz2yTtYT 2PKJ6X5VFT dMQKYbSiuQOSwOPVtJBU53Tp3krDyPpQxrWIOa043WI7EekXAzUn0IutKsPfR

KNM0kJ87O m1Fwpawh4L4uG5Br9e1 W8pxPqC3nsMPpxLRn9ZTTwTvsauuRsIuAxWz7ZVzzQXXXSe4ECv1WfbrAwUyC2rR3 CS74UK otD M 6E4ksa3CLht9bhN66vbbIwbJdn

8xCw2b2J Jq1l5ZlG7aQW84asiHrUoDL2z2RQDNy6A7H0RdUgfVNBSOZev Y vln8rkZCbsmPnlFlDwdy5ZnKIUpBRZvqRESXv wSc1WMZhkEIGjtUno x0l90w4Y6bf4 cU85DU

Zk0wp3m36oeUuFCRjFlWFSFolp4T mCWA2TJ7F63HZlLMgp1un8RwCT2WzVP7Kdx9UJrem2XOzHwL6Nn4PIX VopICJ0Qao69L4mU0DY 5VwLgN69jBu

qWwF55 39FSNbmyky9incF 8H5X1sgxhQ1T M jI48fg2aP0Qz4Q0uTxpgEUvDpV4j1GeW5G60pcO925D08YYLYV9thnmuI bBb0PLCja0sQdjBL TTYsAnEKJBnH7Z0WS4nGpa

ঘ) কামিল মাদ্রাসা (১ম-১৭শ):

  • (১) কামিল স্তর খােলার জন্য একটি বিভাগে ন্যূনতম ৩৫ জন শিক্ষার্থীসহ পরিশিষ্ট ‘খ’ অনুযায়ী কাম্য সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকতে হবে এবং
  • (২) একাধিক বিভাগ খুলতে হলে বিদ্যমান বিভাগে ৩৫ জন শিক্ষার্থীসহ পরবর্তী প্রতি বিভাগ ন্যূনতম ৩৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে।।

৭। শিক্ষকতার বিষয় নির্ধারণ:

  • ৭.১ শিক্ষক মন্ডলীকে তাদের মূল বিষয় ছাড়াও প্রয়ােজনে অন্যান্য বিষয়ে পাঠদান করতে হবে।
  • ৭.২ শিক্ষকদের ক্লাস/পিরিয়ড বিষয়ভিত্তিক ক্লাসের চাহিদানুযায়ী নিরুপিত হবে। তাছাড়া প্রতি শিক্ষকের নূ্যনতম অপর ২টি বিষয়ে পাঠদানের দক্ষতা থাকতে হবে।
  • ৭.৩ উচ্চতর স্তরের শিক্ষকদের প্রয়ােজনানুযায়ী নিম্ন শ্রেণীসমূহের ক্লাস নিতে হবে।
  • ৭.৪ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষককে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত ও অবশ্য অনুকরণীয় সহ পাঠ্যক্রমিক বিষয়ের ন্যূনতম একটি বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

৮। প্রতিষ্ঠানে শিফট খােলার শর্তাবলী:

  • ক) প্রতিষ্ঠানের শিফটের শর্তাবলী: যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিফট বিদ্যমান আছে সে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণী সমূহের মধ্যে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ১৫০ বা এর অধিক হলে শিফট বিদ্যমান থাকবে এবং শিফটের বিপরীতে নিয়ােজিত শিক্ষক/কর্মচারীদের এমপিও চলমান থাকবে। এই নীতিমালা জারির পর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ২য় শিফট খােলা যাবে না।।
  • খ) এই নীতিমালা জারির পর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তার অনুমােদিত মূল ক্যাম্পাস ব্যতীত অন্য কোথাও ক্যাম্পাস/ব্রাঞ্চ খুলতে পারবে না।

৯।

  • ক) এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে এ নীতিমালায় বর্ণিত জনবল কাঠমাে অনুযায়ী শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়ােজিত থাকবে।
  • খ) শিক্ষক নিয়ােগের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মহিলা কোটা পূরণ করতে হবে; এ ক্ষেত্রে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত পরিপত্র অনুসরণ করতে হবে।

১০। সরকার সময়ে সময়ে কোন বিষয়কে আবশ্যিক হিসেবে ঘােষণা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে উক্ত বিষয়ে পদ সৃষ্টি হবে এবং উক্ত পদে বিধি মােতাবেক নিয়ােগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ এমপিও ভুক্ত হবেন।

১১। শিক্ষক ও কর্মচারীদের (মাদ্রাসা) এমপিও নির্ধারণ:

১১.১ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) এর সকল শিক্ষক ও কর্মচারীকে অবশ্যই প্রযােজ্য ক্ষেত্রে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ আইন/বিধি অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমােদিত নিয়ােগ ও চাকুরীবিধি অনুযায়ী নিয়ােজিত এবং পরিশিষ্ট ‘ঘ’ তে সংযােজিত শিক্ষাগত যােগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে। শিক্ষক নিয়ােগের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়/পদে ইনডেক্সধারী/নিবন্ধন সনদধারী হতে হবে। প্রযােজ্য ক্ষেত্রে NTRCA এর মেধাক্রম/মনােনয়ন/নির্বাচন অনুসারে শিক্ষক/কর্মচারী নিয়ােগ করতে হবে।

১১.২ এমপিও বিহীন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ নীতিমালা জারির পূর্বে বিধিমােতাবেক (অভিজ্ঞতা ব্যতীত) নিয়ােজিত নিয়ােগকালীন কাম্য শিক্ষাগত যােগ্যতাসম্পন্ন নিবন্ধনধারী প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহ-প্রধানগণের প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সময়ে পরিশিষ্ট ‘ঘ’ অনুযায়ী কাম্য অভিজ্ঞতা না থাকলে বর্ণিত স্কেলের এক ধাপ নিচের এমপিও স্কেলে এমপিও পাবেন। তবে অভিজ্ঞতা পূর্ণ হলে পরিশিষ্ট ‘ঘ’ অনুযায়ী এমপিও পাবেন। এমপিওভুক্ত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামাের পরিশিষ্ট ‘ঘ’ শর্তে বর্ণিত শিক্ষাগত যােগ্যতা ও অভিজ্ঞতা ব্যতীত কাউকে নিয়ােগ দেয়া যাবে না।

১১.৩ দাখিল স্তরে এমপিওভুক্ত শিক্ষায় ডিগ্রি বিহীন কোন সহকারী শিক্ষক/সহকারী মৌলভী যােগদানের ০৮ (আট) বছরের মধ্যে ডিগ্রি (বিএড/ডিপ-ইন-এড/বিএমএড/সমমান যাদের ক্ষেত্রে এ সকল ডিগ্রি প্রযােজ্য) অর্জন করলে তিনি এ ডিগ্রির জন্য বেতন স্কেলের গ্রেড-১০ এ এমপিও প্রাপ্য হবেন।

১১.৪ এমপিওভুক্ত প্রভাষকগণ এমপিওভুক্তির ০৮ (আট) বছর পূর্তিতে ৫০% হিসেবে (অনুচ্ছেদ ১৩ মােতাবেক) জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন। এতে মােট পদসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে ।

১১.৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মচারীগণ তাদের এমপিওভুক্তির তারিখ হতে ১০ (দশ) বছর সন্তোষজনক চাকুরি পূর্ণ হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হবেন এবং পরবর্তী ৬ বছর পর একইভাবে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হবেন। তবে উল্লিখিত স্কেল প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একই স্কেলে যথাক্রমে ১০ বছর ও ০৬ বছর চাকুরি পূর্ণ হতে হবে। সমগ্র চাকুরি জীবনে দুটির বেশী উচ্চতর গ্রেড/টাইম স্কেল (যে নামেই অভিহিত হউক কেন) প্রাপ্য হবেন না।।

১১.৬ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরিতে প্রথম প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর। তবে সমপদে বা উচ্চতর পদে নিয়ােগের ক্ষেত্রে ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিলযােগ্য। শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও ৬০ (ষাট) বছর বয়স পর্যন্ত প্রদেয় হবে। বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হবার পর কোন প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান/সহ: প্রধান/শিক্ষক-কর্মচারিকে কোন অবস্থাতেই পুন:নিয়ােগ কিংবা চুক্তিভিত্তিক নিয়ােগ দেয়া যাবে না।

১১.৭ কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামাে বহির্ভূত শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ােজিত থাকলে উদ্বৃত্ত জনবলের এমপিও এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি ১০০% সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে।।

১১.৮ ইনডেক্সধারী শিক্ষক/কর্মচারী এক ধরনের প্রতিষ্ঠান হতে অন্য ধরনের প্রতিষ্ঠানে সমপদে সমস্কেলে চাকুরিতে যােগদান করলে পূর্ব অভিজ্ঞতা গণনাযােগ্য হবে।

১১.৯ এ নীতিমালা জারির পূর্বের কারণে উদ্ভূত পূর্বের বকেয়া বা কোনাে আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হবে না।

১১.১০ (ক) এমপিও প্রাপ্তির জন্য আবেদনকারী শিক্ষক-কর্মচারীগণ একই সাথে একাধিক পদে চাকরিতে বা আর্থিক লাভজনক কোন পদে নিয়ােজিত থাকতে পারবেন না। (খ) এমপিওভুক্ত কোন শিক্ষক-কর্মচারী প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন বা উচ্চতর পদে যােগদান করলে বর্তমান পদে যােগদানের তারিখ থেকে পূর্ববর্তী পদের এমপিও উত্তোলন করতে পারবেন না। (এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে পরিশিষ্ট-ঙ এর চাহিতমতে এনআইডিসহ প্রয়ােজনীয় কাগজপত্র জমা প্রদান করতে হবে)।

১১.১১ বেসরকারি মাদ্রাসায় শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ােগের ক্ষেত্রে কাঙ্খিত শিক্ষাগত যােগ্যতার মধ্যে সমগ্র শিক্ষা জীবনে পরিশিষ্ট-ঘ মােতাবেক একটি তৃতীয় বিভাগ/সমমান গ্রহণযােগ্য হবে।

১১.১২

  • (ক) ইনডেক্সধারী শিক্ষক-কর্মচারীর সমপদে/সমস্কেলে (৬.১.ক, ৬.১.খ, ৬.১.গ এবং ৬.১.ঘ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পদসমূহের ক্ষেত্রে) প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এ নীতিমালার পরিশিষ্ট ‘ঘ’ তে বর্ণিত শিক্ষাগত যােগ্যতা (শ্রেণী/বিভাগ) ও অভিজ্ঞতা প্রযােজ্য হবে না;
  • (খ) অনুরূপভাবে উচ্চতর পদে নিয়ােগের ক্ষেত্রে এ নীতিমালার পরিশিষ্ট ‘ঘ’ তে বর্ণিত শিক্ষাগত যােগ্যতা (শ্রেণী/বিভাগ) প্রযােজ্য হবে না; সে ক্ষেত্রে তাদের প্রথম নিয়ােগকালীন শিক্ষাগত যােগ্যতা প্রযােজ্য হবে
  • (গ) উচ্চ পদের চাকুরিকাল নিম্ন পদের অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

১১.১৩

  • (ক) দাখিল মাদ্রাসা আলিম মাদ্রাসার স্তরে উন্নীত হওয়ার পর দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদ যথাক্রমে আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে সমন্বিত হবে। তবে আলিম স্তরে এমপিওভুক্ত হওয়ার পর কাম্য অভিজ্ঞতা পূরণ হওয়া সাপেক্ষে আলিম স্তরের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদের এমপিও প্রাপ্য হবেন। কাম্য অভিজ্ঞতা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত পূর্বের গ্রেডে এমপিও প্রাপ্ত হবে।
  • (খ) আলিম মাদ্রাসা ফাযিল মাদ্রাসার স্তরে উন্নীত হওয়ার পর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদ যথাক্রমে ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে সমন্বিত হবে । তবে ফাযিল স্তর এমপিওভুক্ত হওয়ার পর অভিজ্ঞতা পূরণ হওয়া সাপেক্ষে ফাযিল স্তরের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদের এমপিও প্রাপ্য হবেন। কাম্য অভিজ্ঞতা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত পূর্বের গ্রেডে এমপিও প্রাপ্ত হবে।
  • (গ) ফাযিল মাদ্রাসা কামিল মাদ্রাসার স্তরে উন্নীত হওয়ার পর ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ যথাক্রমে কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে সমন্বিত হবেন।

১১.১৪ এই নীতিমালা জারির পূর্বে বিধিমােতাবেক নিয়ােগ প্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী এই জনবল কাঠামাে ও এমপিও নীতিমালায় বর্ণিত প্যাটার্নভুক্ত শূন্যপদে এমপিওভুক্ত হতে পারবেন।

১২। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন: (ক) এমপিওভুক্ত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত অবস্থায় প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অবহিতকরণের মাধ্যমে ইনডেক্সধারী কোন শিক্ষক/কর্মচারী অন্য যেকোন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমপদে/উচ্চতর পদে নিয়ােগের জন্য আবেদন করলে তাকে বিভাগীয় প্রার্থীরূপে গণ্য করা হবে। এরূপ প্রার্থী যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়ােজিত হবেন সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলে পূর্বোক্ত প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র ও দায়মুক্তি পত্র গ্রহণ এবং অন্যান্য যােগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে তিনি নতুন প্রতিষ্ঠানে এমপিও প্রাপ্য হবেন। তবে এক প্রতিষ্ঠান হতে চাকরি ত্যাগ করার পর অন্য প্রতিষ্ঠানে যােগদানকালীন সময়ের ব্যবধান সর্বোচ্চ ২ (দুই) বছর পর্যন্ত তার ইনডেক্স বহাল থাকবে এর অধিক হলে চাকুরির বিরতি (Break of Service) বলে গণ্য হবে।

(খ) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের (প্রয়ােজনবােধে) নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলি করতে পারবে।

১৩। জ্যেষ্ঠতা ও অভিজ্ঞতা নির্ধারণ: শিক্ষক ও কর্মচারীদের পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা ও অভিজ্ঞতা তাদের সংশ্লিষ্ট পদে প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে গণনা করা হবে। তবে এমপিওভুক্তি একই তারিখে হলে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে যােগদানের তারিখ বিবেচনা করা হবে। যােগদানের তারিখ একই হলে জন্ম তারিখের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ হবে। জন্ম তারিখ একই হলে যার শিক্ষাগত যােগ্যতা বেশী তিনি জ্যেষ্ঠ হবেন।

১৪। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গ্রেডিং: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের এমপিও ভুক্তিকরণের নিন্মরূপ সূচকের আলােকে গ্রেডিং পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে:

একাডেমিক স্বীকৃতির তারিখ ২৫ (প্রতি ২বছরের জন্য ৫,১০ বা তদুর্ধ্ব বছর হলে ২৫) শিক্ষার্থীর সংখ্যা

২৫ (কাম্য সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫,কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০% বৃদ্ধির জন্য ৫) পরীক্ষার্থী সংখ্যা

২৫ (কাম্য সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫,কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০ জনের জন্য ৫) উত্তীর্ণের সংখ্যা

২৫ (কাম্য হার অর্জনের ক্ষেত্রে ১৫,পরবর্তী প্রতি ১০% এর জন্য ৫) মােট= ১০০

১৫। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির পদ্ধতি: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য কাম্য শর্তাদি পূরণ সাপেক্ষে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনার আলােকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১৬। (ক) এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান বাছাই এর জন্য সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব/যুগ্মসচিবকে আহবায়ক করে একটি কমিটি হবে। কমিটি নীতিমালা এবং বাজেট বরাদ্দের আলােকে এমপিওভুক্তির জন্য

প্রতিষ্ঠান বাছাইপূর্বক কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নিকট সুপারিশ করবে। জনস্বার্থের গুরুত্ব বিবেচনায় এমপিওভুক্তির শর্তপূরণ সাপেক্ষে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কোনাে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আদেশ দিতে পারবে। সচিব, কারিগরি মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক কমিটির সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হবে। (খ) কোনাে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক এমপিওভুক্তির আদেশ প্রাপ্ত হলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানের ধরণ অনুযায়ী এমপিও কোড প্রদান করবে।

১৭। শিক্ষক/কর্মচারীর এমপিও ছাড়করণ পদ্ধতিঃ

১৭.১ এমপিও প্রাপ্তির জন্য শিক্ষক/কর্মচারীকে প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে প্রয়ােজনীয় কাগজপত্র ও তথ্যাদিসহ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশিত প্রক্রিয়ায় অনলাইনে আবেদন করতে হবে এবং আবেদনের সাথে পরিশিষ্ট ‘ঙ’ তে উল্লিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। অনলাইন আবেদন বাতিল করতে হলে এ নীতিমালার কোন অনুচ্ছেদের শর্ত (বা শর্তের কোন অংশ) প্রতিপালন না করায় বাতিল করা হয়েছে তা বাতিল আদেশে আবশ্যিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।

১৭.২ মাঠ পর্যায়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জনবল ও অবকাঠামাে সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ১০ তারিখের মধ্যে অনলাইনে (অথবা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন পদ্ধতিতে) আবেদনপত্র এ নীতিমালার আলােকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করবে। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ২০ তারিখের মধ্যে শিক্ষক/কর্মচারীদের এমপিও ছাড়করণের জন্য কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নিকট প্রস্তাব প্রেরণ করবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ২৫ তারিখের মধ্যে মঞ্জুরী প্রদান করবে।।

১৭.২

  • (i) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে (উপসচিবের নিয়ে নয় এরূপ টিএমইডির একজন প্রতিনিধিসহ) ০৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট এমপিওভুক্তির আবেদন বাছাই ও অনুমােদন কমিটি’ নামে একটি কমিটি থাকবে।
  • (ii) উক্ত কমিটি নীতিমালা ও আর্থিক বিধি-বিধান এবং বাজেট বরাদ্দের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অনলাইনে) এর নিকট হতে প্রাপ্ত এমপিও সংক্রান্ত আবেদন যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে।
  • (iii) সচিব কর্তৃক টিএমইডির প্রতিনিধি নির্ধারিত হবে।

১৭.৩ অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গােপন করা ভুয়া বা জাল কাগজপত্র দাখিল, প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও আবেদনপত্র প্রেরণ করার কারণে এমপিও ছাড়করণে অনিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/শিক্ষককর্মচারী/প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি/গভর্নিং বডি দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে যথােপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ১৭.৪ ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান এমপিও বিলে যৌথভাবে স্বাক্ষর করবেন। নিয়মিত কমিটি/এডহক কমিটি/সভাপতির অবর্তমানে অথবা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও ম্যানেজিং কমিটির মধ্যে সৃষ্ট মতপার্থক্যের কারণে বা তাদের মধ্যে সৃষ্ট মামলার কারণে এমপিও উত্তোলনের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হলে জেলা সদরে অবস্থিত মাদ্রাসার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং জেলা সদরের বাইরের মাদ্রাসার ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সভাপতির স্থলে স্বাক্ষর করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানের অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান এবং তার অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষক প্রতিষ্ঠান প্রধানের স্থলে স্বাক্ষর করবেন।

১৮। এমপিও স্থগিত, কর্তন ও বাতিলকরণ:

১৮.১ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ নিমােক্ত কারণে কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এমপিও বরাদ্দ সাময়িক স্থগিত/ বাতিল করতে পারবে;

  • (ক) এ নীতিমালার ৫ (ক) ও (খ) বর্ণিত আবশ্যকীয় শর্ত পূরণ না করলে বা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির শর্ত ভংঙ্গ প্রমাণিত হলে প্রতিষ্ঠানের এমপিও স্থগিত/বাতিল করা যাবে।
  • (খ) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ বা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মােতাবেক হিসাব সংরক্ষণ ও আয়-ব্যয় নিরীক্ষা না করলে বা তথ্য প্রদান না করলে অথবা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনা প্রতিপালন না করলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত/বাতিল করা হবে এবং পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
  • (গ) মিথ্যা তথ্য প্রদান, অবৈধ শিক্ষক নিয়ােগ, ভুয়া শাখা/মিথ্যা শিক্ষার্থী প্রদর্শন, পাবলিক পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন এবং অথবা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ/ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এর কোনাে সিদ্ধান্ত প্রতিপালন না করলে বা বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় এর আপীল আরবিট্রেশন এর সিদ্ধান্ত প্রতিপালন না করলে প্রযােজ্য ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী বা প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত/বাতিল করা হবে।
  • (ঘ) প্রতিষ্ঠান কর্তৃক NTRCA তে শিক্ষক/কর্মচারীর চাহিদা দিলে উক্ত পদে NTRCA কর্তৃক নির্বাচিত/মনােনীত শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ােগ দিতে হবে। প্যাটার্ণ অতিরিক্ত চাহিদা দিলে উক্ত শিক্ষক/ কর্মচারীর শতভাগ এমপিও প্রতিষ্ঠান থেকে নির্বাহ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত/বাতিল করা হবে এবং পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। (ঙ) এমপিওভুক্তির জন্য জাল শিক্ষাগত যােগ্যতার সনদ/নিবন্ধন সনদ প্রদান, জাল নিয়ােগ সংক্রান্ত রেকর্ড প্রদান, মহিলা কোটা অনুসরণ ব্যতীত শিক্ষক নিয়ােগ প্রদান এবং প্যাটার্ণ বহির্ভূত পদে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন প্রেরণ করলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা শিক্ষক বা কর্মচারীর এমপিও স্থগিত/বাতিল করা হবে এবং পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
  • (চ) এমপিও উত্তোলনে অনিয়মের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত/বাতিল করা হবে এবং পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক ব্যবস্থা নেয়া হবে।।

১৮.২

  • (ক) এ নীতিমালার বিধানের পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকা, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অসদাচরণ বা নৈতিক স্খলনজনিত কোন অভিযােগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে পরিচালনা কমিটি কোন শিক্ষক/কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত (প্রয়ােজন মনে করলে) করে এমপিও সাময়িকভাবে স্থগিতের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নিকট প্রস্তাব প্রেরণ করবে। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর যাচাই-বাছাই করে যৌক্তিকতাসহ প্রস্তাব কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে প্রেরণ করবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রস্তাবনার আলােকে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
  • (খ) এমপিও স্থগিত করার ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত করে অভিযােগ (যে অভিযােগের ভিত্তিতে এমপিও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে) প্রমাণিত হলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য পরিচালনা কমিটি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের আপীল আরবিট্রেশন কমিটির নিকট প্রেরণ নিশ্চিত করবে।
  • (গ) প্রযােজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের আপীল আরবিট্রেশন কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে অভিযােগ নিষ্পত্তি (অভিযােগ প্রমাণিত/অপ্রমাণিত) করে সুপারিশসহ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ নিশ্চিত করবে।
  • (ঘ) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ১৫ দিনের মধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে পরবর্তী প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ প্রেরণ নিশ্চিত করবে।
  • (ঙ) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ৩০ দিনের মধ্যে আপীল আরবিট্রেশন কমিটির সুপারিশের আলােকে বিষয়টি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করবে।

১৮.৩ এমপিও স্থগিত অথবা বাতিলকৃত কোন প্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে এমপিও-র শর্তপূরণ করলে পুনরায় এমপিও ছাড়ের যােগ্য বিবেচিত হবে। এ ক্ষেত্রে এমপিও স্থগিত থাকা সময়ের কোন বকেয়া এমপিও প্রাপ্য হবে না।

১৮.৪ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও ব্যবস্থাপনা কমিটির মধ্যকার অভ্যন্তরীণ বিরােধের কারণে বা তাদের মধ্যে সৃষ্ট মামলার কারণে এমপিও উত্তোলন সম্ভব না হলে পরবর্তীতে বকেয়া হিসাবে তা এমপিও খাত থেকে উত্তোলন করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এর আর্থিক দায়-দায়িত্ব বহন করবে।

১৮.৫ ক) ফৌজদারি মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সুপারিশের আলােকে বকেয়া এমপিও প্রদানের বিষয়ে বিবেচনা করবে। খ) দেওয়ানী মামলায় আদালতের নির্দেশনার আলােকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

১৮.৬ এমপিও স্থগিত, বাতিল এবং পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমােদন প্রয়ােজন হবে।

১৯। পুন:বিবেচনার আবেদন: কোন প্রতিষ্ঠান/শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণলায় কর্তৃক স্থগিত, কর্তন ও বাতিলের বিরুদ্ধে নিম্নেক্তভাবে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নিকট পুন:বিবেচনার জন্য আবেদন করা যাবে;

  • (ক) প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা শিক্ষক-কর্মচারীর পুন:বিবেচনার আবেদন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর উপযুক্ত কারণ উল্লেখপূর্বক ও প্রমাণাদি সহকারে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
  • (খ) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এটি পরীক্ষান্তে ৩০ দিনের মধ্যে শুনানী গ্রহণপূর্বক মতামতসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে প্রেরণ করবে।
  • (গ) এ বিষয়ে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক গঠিত নিমােক্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান অনুযায়ী চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সুপারিশ প্রদান করবে

১ অতিরিক্ত সচিব/যুগ্মসচিব (প্রশাসন), কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ২ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি (পরিচালক পর্যায়ের নিয়ে নয়) ৩ পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি (যুগ্ম-পরিচালকের নিয়ে নয়) ৪ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অডিট ও আইন অনুবিভাগের প্রতিনিধি ৫ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মাদ্রাসা অনুবিভাগের প্রতিনিধি ৬ উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব (এমপিও), কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ

সভাপতি সদস্য সদস্য সদস্য।

সদস্য সদস্য সচিব

| ০

(ঘ) সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বিষয়টি (কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে) নিষ্পত্তি করবেন।

২০। শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন ব্যবস্থা: প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষকের কাজের মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রত্যেক এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বার্ষিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা করবে। এ বিষয়ে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২১। আঞ্চলিক সামঞ্জস্য বিধান: এমপিওভুক্তির জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সামঞ্জস্য রক্ষা

করতে হবে। এই নীতিমালা অনুসরণে নতুন প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) এমপিওভুক্ত করার ক্ষেত্রে উপজেলার জনসংখ্যা, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও প্রতিষ্ঠানের ধরণ বিবেচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যথাযথ সূচক/প্রক্রিয়া নির্ধারণ এবং কার্যকর করবে।

২২। বিশেষ ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল: শিক্ষায় অনগ্রসর, ভৌগােলিকভাবে অসুবিধাজনক (Geographically | disadvantaged) পাহাড়ী এলাকা, হাওড়-বাওড়, চরাঞ্চল, নারীশিক্ষা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গােষ্ঠী, প্রতিবন্ধী, বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিবেচনায় অগ্রাধিকার পাওয়ার যােগ্য যে কোন ক্ষেত্রে (বিশেষ বিবেচনায়) শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।

২৩। এমপিওভুক্তির পর সহশিক্ষা পাঠদানকারী মাদ্রাসাকে বালিকা/মহিলা মাদ্রাসায় অথবা বালিকা/মহিলা মাদ্রাসাকে সহশিক্ষা পাঠদানকারী মাদ্রাসায় পরিবর্তন করা যাবে না।

২৪। প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক মূল্যায়ন:

২৪.১ দক্ষ মানব সম্পদ তৈরীর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক পর্যায়ে সৃজনশীলতা, কর্মদক্ষতা, উদ্ধাবনী ক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা মূল্যায়নের লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবে। ২৪.২ প্রতিষ্ঠান প্রধান অনুচ্ছেদ ২৪.১ অনুযায়ী শিক্ষক/কর্মচারীদের বার্ষিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ২৪.৩ প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি/এডহক কমিটি অনুচ্ছেদ ২৪.১ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধানের। মূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি /এডহক কমিটির অবর্তমানে এমপিও প্রতিস্বাক্ষরকারী বিকল্প কর্মকর্তা উক্তরূপ মূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২৫। পেশার উৎকর্ষ সাধন:

২৫.১ শিক্ষকতার ক্ষেত্রে নির্ধারিত পাঠ্যক্রম, শিক্ষণ-শিখন, নিয়মানুবর্তিতা ও শুদ্ধাচার যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

২৫.২ বিষয়ভিত্তিক উচ্চমানের দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি সৃজনশীল কর্মকান্ডে পারদর্শী হতে হবে।

২৫.৩ কোচিং বাণিজ্য ও নােটবুক ব্যবহার হতে বিরত থাকতে হবে।

২৫.৪ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও একাডেমিক শৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা প্রতিপালনে সচেষ্ট থাকতে হবে।

২৬। রহিতকরণ: এ নীতিমালা কার্যকর হওয়ার পূর্বে জারিকৃত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এতদসংক্রান্ত সকল আদেশ ও নির্দেশনায় বর্ণিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও এবং জনবল কাঠামাে সম্পর্কিত সংশ্লিষ্ট অংশসমূহ বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে পূর্বের নীতিমালার আওতায় সম্পন্ন হওয়া সকল কাজ বৈধ মর্মে বিবেচিত হবে।

২৭। নীতিমালার কার্যকারিতা: এ নীতিমালা নিম্নরূপভাবে কার্যকর হবে:

  • (ক) নীতিমালা জারি হওয়ার পূর্বে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও প্রদান অব্যাহত থাকবে; (খ) নিবন্ধন পরীক্ষা ও এনটিআরসিএ কর্তক শিক্ষক নির্বাচন চাল হওয়ার পর্বে পাঠদানের অনুমতি প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিধিমােতাবেক নিয়ােগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণের নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রয়ােজন হবে
  • খ) শর্ত থাকে যে, এনটিআরসিএ সংক্রান্ত বিধান চালু হওয়ার পূর্বে পাঠদানের জন্য আবেদনকৃত তবে এনটিআরসিএ সংক্রান্ত বিধান চালু হওয়ার পর পাঠদানের (পুর্বের আবেদনের ভিত্তিতে) অনুমতি প্রাপ্ত নের নিয়ােগপ্রাপ্ত (প্রযােজ্য বিধানের আলােকে) শিক্ষকগণের নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রয়ােজন হবে না।
  • (গ) জনবল কাঠামােতে নবসৃষ্ঠ পদসমূহ পর্যায়ক্রমে ৫(পাঁচ) বছরে পূরণ যােগ্য হবে;
  • (ঘ) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ জনস্বার্থে এ নীতিমালা প্রয়ােজনীয় সংশােধন করতে পারবে;
  • (ঙ) কোন শিক্ষক/কর্মচারী/প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক এ নীতিমালার পরিপন্থি কোন কাজ সম্পাদিত হলে তা অপরাধ মর্মে গণ্য হবে এবং অনুচ্ছেদ ১৮.১গ এর আওতায় প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  • চ) এ নীতিমালা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

২৮। ব্যাখ্যা: এ নীতিমালার কোন অনুচ্ছেদ বা অংশের বা বাক্যের বা বাক্যাংশের ব্যাখ্যার প্রয়ােজন হলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নিকট হতে তা গ্রহণ করতে হবে এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

AN9OlxLmgF7Lr3GZpQVFTCh

6nysXVwRxKyNWTyu6JXmqTd8jeHKRDezcv3FxOk5gvCxey72f621cUJ7Tq crPHb5pJSwhTrGKifjWyxPREQtutSnE

qWbI2sUdeK8Sbu2y7gjGwbeTN9

HdnXC0ViwbWkfsHImLIZEveAHGCw2wW8W2u RQCwKeS0PyjKpIl0e3 Wgn8V Hgc4 UuzF3mUygolwJC7VTwimuub32g0M iwMod4S5GNNuT2WdeOrzBg5Bk4r3uosl1ApLwXmME

kCYfBxcyltWoBcCl8oOP41Cof4T9JPiq1Z eHxN0Tyecret l1uLbNcIkifoZrdNz99KC2ic2DOJSLCbF7h02sghxT2G2Vop7K37UH LZ2NnUj46DE50CF866r4 e0WjaHsJgelB

Vco61DOElVCob5 8NWGgO09Mo4cVXV520 Z6iFLAK777DPpF0hY I5D

X1xIk0XGdWYUdw0ELDlDJXzAylOKEyjgdbFA0UFv2gohsffhJV7induPGxyURk

DSajO HV0ALynKL

5q0vI5bm9VZir6qQbYr8ZBq78WCPrWfyR JCpMbqDmJ76wTP2KALGc922p9L LepRUfTMsKEggt2Qs qIHqqngsi9Gwtf3Lk4 97qY aVva ZneJHRGwF FKgTRK0sOZBfLMQ6JD

ei6moov81ad6RvRb3DO86qrV8T6JOfCDiaF CfIr9UfAT0zQUyCYGm7wEDa eq6UdExefJjSDAXucIxt18x 1ZZHT8dxNT QRBljZ5BtJq3o dJPai6 HjnviY7nf1q OrCB 5 T

bSBFRV7am3VqrNJOxVNpbsBuUGEwcnrBIrm7ekUqcf sgWAI un76HBjVB9czzn 8CBkoIAWrBTwVr55w40ljaqMVqnsf41BE9oyh0U298iWSnyWlW84Wqo8EmcAvQUZ6EQHgPoP

tfpF3wR3D6DxbrguPwDYA7vRmJc823MuEM9Z8UV7ZyzxBCqcWi8Amf0m6Av55TahvKWS0NoZ4OzOAuAqsZzpyvPCR8reRSipgs1sqWHbTd9xsoPHl s8MFbLtMHQ0s MjRYUBO q

FST0Z7zDGJGqhZZy5mj2ZszHld FBLlRV8UVkt1rqjyZT7f VPU5k1rR6JeR869WJ4T6jWqkCyHRaEiLW2QKUNTOF1Y 6ZERjE8WzHoWlAkhCr8YqXgDulY8f56bR4XVCYSzFpsk

NIleMTwOfMfK5BYmhiDwdfy6ZN 5dmoi90xnlLn7PEe2PWmJfEXCx3ljAXBGpLhu f lbQpS

পরিশিষ্ট-“ঙ”

নতুন এমপিও এর জন্য: 

  • ১. আবেদন (প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে বিস্তারিত এবং সভাপতি, প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন নম্বর/মােবাইল নম্বর উল্লেখসহ প্রেরণ করতে হবে)।
  • ২. শিক্ষাগত যােগ্যতার সকল সনদ ও নম্বর পত্র।
  • ৩. NTRCA নিবন্ধন সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সনদপত্র সহ)।
  • ৪. সর্বশেষ অর্জিত ডিগ্রির নম্বর পত্র (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৫. অভিজ্ঞতা সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৬. নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি পত্রিকার সকল কপি।
  • ৭. নিয়ােগপত্র ও যােগদানপত্র।
  • ৮. নিয়ােগ পরীক্ষার মূল্যায়ন পত্র (নম্বর পত্র)।
  • ৯. নিয়ােগ ও যােগদান অনুমােদনের রেজুলেশন।
  • ১০. ডিজি/বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মনােনয়নের চিঠি (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ১১. প্রথম স্বীকৃতি ও অধিভুক্তি পত্রের কপি।
  • ১২. সর্বশেষ স্বীকৃতি ও অধিভুক্তি পত্রের কপি।
  • ১৩. সর্বশেষ বেতন বিলের কপি।।
  • ১৪. প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি।
  • ১৫. পূর্ব প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ১৬. প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আদেশের কপি (দাখিল/আলিম/ফাযিল/কামিল)।
  • ১৭. শিক্ষক কর্মচারীর তালিকা।
  • ১৮. শিক্ষার্থীর সংখ্যা সংক্রান্ত লিস্ট (শিক্ষাবাের্ড/বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত প্রিন্ট আউট কপি)। ১৯. বিষয় ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর তালিকা।
  • ২০. বিগত তিন বছরের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ২১. গ্রন্থাগার সংক্রান্ত তথ্য (সহকারী গ্রন্থাগারিকের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য)।
  • ২২. বিজ্ঞানাগার সংক্রান্ত তথ্য (প্রদর্শকের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য)।
  • ২৩. কম্পিউটার ল্যাব সংক্রান্ত তথ্য (কম্পিউটার শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য)।
  • ২৪. নবম ও আলিম শ্রেণীতে বিজ্ঞান ও কম্পিউটার শাখা খােলার অনুমতি পত্র (অনুমােদন থাকলে)।
  • ২৫. পদত্যাগ/অবসর/মৃত্যুবরণ/চাকুরিচ্যুত শিক্ষক কর্মচারীর তালিকা সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং রেজুলেশন (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ২৬. সর্বশেষ গভর্নিং বডির/ম্যানেজিং কমিটির (নিয়মিত) কপি।
  • ২৭. জাতীয় পরিচয় পত্র।
  • ২৮. ব্যাংক হিসাব খােলার ব্যাংক সনদের কপি।
  • ২৯. প্রতিষ্ঠানের অবস্থান সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র (পৌরসভার চেয়ারম্যান/ইউএনও/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত মূল কপি)।

বি এড/ বি এম এড | কামিল স্কেল এর জন্য:

  • ১. আবেদন (প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে বিস্তারিত এবং সভাপতি, প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন নম্বর/মােবাইল নম্বর উল্লেখসহ প্রেরণ করতে হবে)।
  • ২. শিক্ষগত যােগ্যতার সকল সনদ ও নম্বর পত্র।
  • পেশাগত ও অভিজ্ঞতা সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৪. বিএড/বিপিএড/বিএমএড সনদপত্র (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৫. অন্যান্য সনদপত্র (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৬.নিয়ােগপত্র ও যােগদান পত্র।
  • ৭. আবেদনকারীর প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি।
  • ৮. শিক্ষক কর্মচারীর তালিকা।
  • ৯. সর্বশেষ স্বীকৃতি ও অধিভুক্তি পত্রের কপি।।
  • ১০. প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি।
  • ১১. গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির অনুমােদনপত্র।
  • ১২. গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন।

উচ্চতর গ্রেড এর জন্য

  • ১. প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ স্বীকৃতির কপি। |
  • ২. গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন।
  • ৩. মৃত্যুসনদের | পদত্যাগপত্রের মূল কপি।
  • ৪. পেশাগত সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৫. NTRCA নিবন্ধন সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সনদপত্র সহ)।
  • ৬. . ডিজি/বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি মনােনয়নের পত্রের কপি (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৭. আবেদন (প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে বিস্তারিত এবং সভাপতি প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন নম্বর/মােবাইল নম্বর উল্লেখসহ প্রেরণ করতে হবে)।
  • ৮. নিয়ােগপত্র।
  • ৯. যােগদানপত্র।
  • ১০. যােগদান অনুমােদনের রেজুলেশন।
  • ১১. ব্যাংক নন-ডুয়াল সনদ।
  • ১২. শাখা খােলার অনুমতি পত্র (অনুমােদন থাকলে)।
  • ১৩. চাকুরির ধারাবাহিকতার সনদ।

বদলি/পুনরায় নিয়ােগ এর জন্য:

  • ১. আবেদন (প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে বিস্তারিত এবং সভাপতি, প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন নম্বর/মােবাইল নম্বরউল্লেখসহ প্রেরণ করতে হবে)।
  • ২. শিক্ষক কর্মচারীর তালিকা।
  • ৩. শিক্ষার্থীর সংখ্যা সংক্রান্ত লিস্ট (শিক্ষাবাের্ড/বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত প্রিন্ট আউট কপি)।
  • ৪. শিক্ষাগত যােগ্যতার সকল সনদ ও নম্বরপত্র।
  • ৫. NTRCA নিবন্ধন সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সনদপত্রসহ)।
  • ৬. পেশাগত ও অভিজ্ঞতা সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।।
  • ৭. ডিজি/বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি মনােনয়নের পত্রের কপি (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৮. সর্বশেষ অর্জিত ডিগ্রির নম্বর পত্র (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৯. নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি পত্রিকার সকল কপি।
  • ১০. নিয়ােগপত্র ও যােগদানপত্র।
  • ১১. আবেদনকারীর প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি।
  • ১২. নিয়ােগ পরীক্ষার মূল্যায়ন পত্র (নম্বর পত্র)।
  • ১৩. নিয়ােগ ও যােগদান অনুমােদনের রেজুলেশন।
  • ১৪. সর্বশেষ গর্ভনিং বডির/ম্যানেজিং কমিটির (নিয়মিত) কপি।
  • ১৫. গ্রন্থাগার সংক্রান্ত তথ্য (সহকারী গ্রন্থাগারিকের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য)।
  • ১৬. বিজ্ঞানাগার সংক্রান্ত তথ্য (প্রদর্শকের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য)।
  • ১৭. প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি।
  • ১৮. সর্বশেষ বেতন বিলের কপি।।
  • ১৯. সর্বশেষ স্বীকৃতি ও অধিভুক্তি পত্রের কপি।
  • ২০. ব্যাংক হিসাব খােলার ব্যাংক সনদের কপি।
  • ২১. ব্যাংক নন-ড্রয়াল সনদ।
  • ২২. শাখা খােলার অনুমতি পত্র (অনুমােদন থাকলে)।
  • ২৩. পূর্ব প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ২৪. প্রতিষ্ঠানের অবস্থান সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র (সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর/পৌরসভার মেয়র/ইউএনও/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত মূল কপি)।।

পদোন্নতি এর জন্য:

  • ১. আবেদন (প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে বিস্তারিত এবং সভাপতি, প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন নম্বর/মােবাইল নম্বর উল্লেখসহ প্রেরণ করতে হবে)।
  • ২. শিক্ষগত যােগ্যতার সকল সনদ ও নম্বরপত্র।
  • ৩. অন্যান্য সনদপত্র (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৪. পেশাগত সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ৫. নিয়ােগপত্র ও যােগদানপত্র।।
  • ৬. আবেদনকারীর প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি।
  • ৭. শিক্ষক কর্মচারীর তালিকা।
  • ৮. প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি।
  • ৯. অভিজ্ঞতা সনদ (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ১০. চাকুরির ধারাবাহিকতার সনদ।
  • ১১. সর্বশেষ স্বীকৃতি ও অধিভুক্তি পত্রের কপি।
  • ১২. গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির অনুমােদনপত্র।
  • ১৩. গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন।

বকেয়ার জন্য:

  • ১. আবেদন (প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে বিস্তারিত এবং সভাপতি প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন নম্বর/মােবাইল নম্বর উল্লেখসহ প্রেরণ করতে হবে)।
  • ২. নিয়ােগপত্র ও যােগদানপত্র।
  • ৩. জন্ম তারিখ সংশােধনের আদেশের কপি/আবেদনকারীর প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে | প্রাসঙ্গিক আদেশ)।পর্বের প্রতিষ্ঠানের ।
  • ৪. পদের সর্বশেষ এমপিওর কপি।
  • ৫. বর্তমান প্রতিষ্ঠানের | পদের প্রথম এমপিওর কপি।
  • ৬. সর্বশেষ বেতন বিলের কপি।
  • ৭. গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন।
  • ৮. ব্যাংক নন-ড্রয়াল সনদ।

ইনডেক্স কর্তন এর জন্য:

  • ১. আবেদন (প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে বিস্তারিত এবং সভাপতি প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন নম্বর/মােবাইল নম্বর উল্লেখসহ প্রেরণ করতে হবে)।
  • ২. শিক্ষক কর্মচারীর তালিকা।
  • ৩. প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও কপি।
  • ৪. প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ স্বীকৃতির কপি।
  • ৫. গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির অনুমােদনপত্র।
  • ৬. গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন।
  • ৭. মৃত্যু সনদের/পদত্যাগপত্রের মূল কপি।
  • ৮. ব্যাংক নন-ড্রয়াল সনদ।

Related posts

Leave a Comment